সবুজ টিকটিকির রহস্যময় জীবন!

ক্যারোলিনা এনোল (Carolina anole) নামের এই টিকটিকি জাতীয় ছোট্ট প্রাণীটা আমার খুব পছন্দের। এর বৈজ্ঞানিক নাম এনোলিস ক্যারোলিনেন্সিস (Anolis carolinensis)। এদেরকে আমেরিকান ক্যামেলিয়ন (American Chameleon) বা সবুজ টিকটিকিও (Green Anole) বলা হয়। এরা দেখতে ভারি চমৎকার, অনেকটা আমাদের দেশের গিরগিটির মত তবে রঙটা সবুজ এবং গোলাপী। এরা মুলত খুবই শান্তশিষ্ট, রোমান্টিক আর সামাজিক প্রাণী। যেসব দেশে এদের পাওয়া যায়, অনেকেই এদের পোষা প্রাণী হিসাবে পালন করেন। বিবর্তনের দিক দিয়ে দেখলে এরা আমাদের খুব কাছের প্রানী। মানুষ আর এদের জিনের পার্থক্য খুব কম। মানুষের জীনোম সিকোয়েন্সিংয়ের (Human Genome Project) জন্য এই প্রাণীটাকে মডেল হিসাবে ধরা হয়েছিল। এসব কারনে বিজ্ঞানীদের কাছে এই সবুজ টিকটিকির গুরুত্ব অনেক। সত্যি বলতে আমারও এই প্রাণিটার উপরে অল্পবিস্তর গবেষনা করার খায়েশ আছে আর সেজন্য এই ক্যাচক্যাচালির আয়োজন। যাহোক, তাহলে শুরু করা যাক…

সবুজ এই টিকটিকিরা প্রধানত উত্তর আমেরিকার (North America) বাসিন্দা। এদের বেশি দেখা যায় ইউএসের দক্ষিন-পুর্বাঞ্চলে; তবে সম্প্রতি হাওয়াই বা ফ্লোরিডা সহ বেশ কিছু স্থানেও এগুলো বেশ দেখা যায়। এরা সাধারনত ৪-৮ সেন্টিমিটার লম্বা আর পরিনত বয়সে ২-৬ গ্রাম ওজনের হয়ে থাকে। সবুজ এই টিকটিকিরা সাধারনত সবুজ রঙের হয় তবে প্রতিকুল অবস্থায় এদের শরীরের রঙের পরিবর্তন হয়ে সবুজ থেকে বাদামি হয়ে যায়।  এরা এদের বাসস্থানের আশেপাশে গাছে গাছে ঘুরে বেড়ায় আর পোকামাকড় খুজে বেড়ায়। প্রায় সকল রকমের পোকামাকড় এরা খায় তবে ঝিঝিপোকা (Cricket) ও ফড়িং (Grasshopper) এদের প্রিয় খাদ্য। এদের বেশ লম্বা ও ভঙ্গুর একটা লেজ থাকে যেটা শত্রুর হাত থেকে বাচতে ও লাফিয়ে চলতে সাহায্য করে। চারপেয়ে এই প্রাণীর পায়ের নিচে এক ধরনের প্যাড থাকে যেটা তাদের খাড়া দেওয়াল বা গাছের গায়ে লেগে থাকতে সাহায্য করে, ফলে এরা খাড়া গাছ অথবা বিল্ডিং এর দেয়ালে চলাফেরা করতে পারে। স্বাভাবিকভাবে ক্যারোলিনা এনোল ২-৮ বছর বাঁচে যদিও এটা নির্ভর করে শত্রুর আক্রমনের উপরে। উপযুক্ত পরিবেশ পেলে এরা ১০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকে।

পুরুষ ও স্ত্রী উভয়েরই গলার নিচে গোলাপী রঙের থলে আকৃতির ডিউল্যাপ (Dewlap) থাকে যা দিয়ে এরা একে অন্যের সাথে ভাবের আদান-প্রদান করে। সঙ্গী পছন্দ করার জন্যই মূলত ডিউল্যাপ ব্যবহারিত হয়। পুরুষ ক্যামেলিয়নরা সাধারনত পলিগ্যামী (Polygamy) হয় এবং শুধুমাত্র নিজের গোত্রের মধ্য থেকেই সঙ্গী নির্বাচন করে। এদের সঙ্গী পছন্দ করার ব্যাপারটা বড্ড রোমান্টিক, সাধারনত পুরুষরাই তাদের পছন্দ মত স্ত্রী খুজে নেয় (সঙ্গী বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে স্ত্রী ক্যামেলিয়নদের আগ্রহ কম)। সঙ্গী পছন্দ বা বংশবৃদ্ধি (Reproduction) করার জন্য এদের পছন্দনীয় সময় হলো জুন থেকে সেপ্টেম্বর এর মধ্যকার সময়। এসময় নিজের গোত্রের মধ্যে কাওকে ভালো লাগলে, প্রথমে পুরুষ ক্যামেলিয়ন তার দিকে মুখ করে মাথা উপরে-নিচে দোলাতে থাকে এবং ডিউল্যাপ ফুলাতে থাকে; এবং স্ত্রী ক্যামেলিয়ন ঘাড় নিচু (Neck Arching) করে তাতে সম্মতি দেয়। সবাই যে তাতে সম্মতি দেবে এমন কোন কথা নেই (আমাদের মতো তারাও রিজেক্ট হয়! :p)। অতঃপর পুরুষ ক্যামেলিয়ন তার সঙ্গীর দিকে অগ্রসর হয় এবং সঙ্গীর ঘাড়ের পেছন দিকে কামড়ে ধরে – এই কামড়ে ধরার ব্যাপারটা শুধু এদের ভিতরেই দেখা যায়। এরপর তারা মিলিত হয়, মিলন চলে কয়েক মিনিট ধরে। পুরুষ ক্যামেলিয়নরা তাদের সঙ্গীকে অন্যদের থেকে বেশ আগলে রাখে, এই সময় তারা অন্য আগ্রহী স্ত্রী ক্যামেলিয়নদের প্রতি অনাগ্রহ প্রকাশ করে, এবং বাসস্থান থেকে দূরে কোথাও যায়না। পুরুষ প্রানীটি সঙ্গী এবং বাসস্থান ভালোভাবে দেখেশুনে রাখে।

ক্যামেলিয়নরা স্বাধীনভাবে ঘুরতে ভালোবাসে তবে অবশ্যই তাদের বাসস্থানের আসে পাশে। এরা দিবাচর (Diurnal) প্রাণী, দিনের বেশির ভাগ সময়ই কাটে খাবারের সন্ধানে। খাবার ধরার ক্ষেত্রে এদের দেহের সবুজ রঙ বিশেষ ভুমিকা পালন করে কারন সবুজ রঙ গাছের পাতার মধ্যে এদের লুকিয়ে থাকতে সাহায্য করে। তবে খাবার সংগ্রহ করতে গিয়ে মাঝে মাঝে এরা নিজেরাই অন্যের খাবারে পরিনত হয়। কিছু সাপ, স্কিংক, পাখিও এদের দিয়ে উদরপুর্তি করতে বেশ ভালোবাসে। তবে শত্রুর হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য এরা বেশ কিছু ট্রিক্স ব্যবহার করে, যেমন দেহে রঙের পরিবর্তন আনে অথবা নিজের লেজ নিজেই খসিয়ে (Tail Shedding) দেয়। যাতে খসে পড়া লেজ নিয়ে শত্রু ব্যস্ত হয়ে যায় এবং সেই ফাকে তারা পালিয়ে যেতে পারে। লেজ এদের চলার বা লাফানোর জন্য অনেক দরকারী কিন্তু শত্রুর হাত থেকে বাচতে মাঝে মাঝে তারা লেজ ত্যাগ করতে বাধ্য হয় এবং পরবর্তিতে পুনরায় লেজ গজায় (Tail Regeneration)। লেজ কেটে গেলো আবার গজালো, কি অদ্ভুত তাইনা! আসুন সেটা নিয়েও কিছু জানা যাক।

ক্যামেলিয়নের লেজ ও রঙ পরিবর্তনের রহস্য


ক্যারোলিনা এনোল (Carolina anole) বা সবুজ টিকটিকিরা প্রকৃতির খুব অদ্ভুত ধরনের সৃষ্টি এবং সৌভাগ্যক্রমে এরা আমাদের অনেক কাছের আত্মীয়। আমাদের এবং ওদের জেনেটিক মেকাপ (Genetic Makeup) প্রায় একই। সবুজ টিকটিকিরা তাদের শরীরের রঙ পরিবর্তন করতে পারে এবং কোন কারনে তাদের লেজ কেটে গেলে তারা এটি পুনরায় আবার গজাতে পারে। এখানে একটা কথা বলে নেওয়া দরকার, আমাদের এই সবুজ টিকটিকিটা কিন্তু প্রকৃত ক্যামেলিয়ন (True Chameleon) নয়। যারা প্রকৃত ক্যামেলিয়ন, তারা অতি দক্ষতার সাথে চারপাশের পরিবেশ অনুযায়ী তাদের শরীরকে বিভিন্ন রঙে পরিবর্তন করতে পারে; আমাদের এই সবুজ এনোল প্রকৃত ক্যামেলিয়ন নাহলেও অল্পবিস্তর রঙ পরিবর্তন করতে পারে বৈকি!। আজ আমি বলবো তারা কিভাবে এগুলো করে এবং এগুলো আমাদের জন্য কোন কাজে লাগতে পারে কিনা!

আমাদের গল্পের নায়ক, সবুজ টিকটিকিও তার দেহের রঙ পরিবর্তন করতে পারে। এরা যখন উত্তেজিত কিংবা স্ট্রেসের মধ্যে থাকে তখন এদের রঙ সবুজ থেকে খয়েরী হয়ে যায়। রঙের এই পরিবর্তন নিয়ে কত গল্প প্রচলিত আছে তাইনা! আমাদের অঞ্চলে প্রচলিত ছিল যে গিরগিটি আমাদের রক্ত চুষে নেওয়ার কারনে নাকি লাল হয়ে যায়। আমাদের দেশের গিরগিটি আসলে এদেরই এক স্বজাতি। সবুজ টিকটিকিদের চামড়ায় তিন ধরনের রঞ্জক কোষ বা কোষের স্তর থাকে, যাকে বলে ক্রোমাটোফোর – জ্যান্থোফোর (Xanthophore), সায়ানোফোর (Cayanophore) এবং মেলানোফোর (Melanophore), এগুলো যথাক্রমে, হলুদ, সবুজ বা নীলচে, বাদামী বা কালো রঙের জন্য দায়ী। যখন এরা গাছের পাতায় থাকে তখন সায়ানোফোর কোষ একটিভ করে, আবার যখন পাথর বা দালানের গায়ে থাকে তখন এরা মেলানোফোর কোষকে এক্টিভ করে, এভাবে এরা পরিবেশের সাথে মানিয়ে নেয়; এছাড়া প্রতিকুল পরিবেশেও তাদের এই কোষ গুলো এক্টিভ হয়ে যায়। অনেক সময় এই রঞ্জক কোষ সৃষ্টিকারী জিনে মিউটেশন (Mutation) ঘটে ফলে ভিন্ন রঙের এনোল দেখা যায়, যেমন জ্যান্থোফোরের জন্য দায়ী জিনে মিউটেশন হওয়ার কারনে এনোলের দেহ গাঢ় নীল রঙের হয়। তবে দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, নীল রঙ প্রাকৃতিক নির্বাচনে (Natural Selection) খুব বেশি কাজে দেয়না কারন এই নীল টিকটিকিরা খুব সহজেই শত্রুর চোখে পড়ে যায়।  তাই দেহের রঙ এদের বিবর্তনে (Lizard Evolution) অনেক গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা রেখেছে বলতে হবে। বলাবাহুল্য, মিউটেশনের ফলে সৃষ্টি এই নীল রঙের টিকটিকি গুলো প্রকৃতির কাছে মূল্যহীন হলেও পোষ্য প্রাণী হিসাবে বাজারে এর চাহিদা অনেক।

যাহোক, এনোলদের দেহের রঙ পরিবর্তন করার ব্যাপারতো দেখলাম বেশ সহজ। প্রকৃত ক্যামেলিয়নরা (True Chameleon) কিন্তু এরকম কোষ নির্ভর রঙ পরিবর্তনকারী নয়। তাদের রঙ পরিবর্তনের প্রক্রিয়া সম্পুর্ণ ভিন্ন এবং জটিল। প্রকৃত ক্যামেলিয়নদের চামড়ায় দুই পর্দা বিশিষ্ট এক ধরনের স্তর থাকে যাতে গুয়ানিন ন্যানোক্রিস্টাল (Guanine Nanocrystal) নামক পদার্থের জালিকা (Lattice) থাকে। এই জালিকাই নির্ধারন করে এদের চামড়া কত তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের আলো শোষন করবে আর কত তরঙ্গ দৈর্ঘের আলো প্রতিফলিত করবে। উত্তেজিত অবস্থায় জালিকা গুলো বেশি ছড়িয়ে যায় ফলে এদের মধ্যে থাকা গুয়ানিন ন্যানোক্রিস্টাল গুলোর মধ্যকার দূরত্ব বেড়ে যায়। তাই স্বাভাবিক অবস্থায় গুয়ানিন ন্যানোক্রিস্টালের মধ্যকার দূরত্ব কম থাকায়, সুর্যের আলো এদের শরীরে পড়লে কম তরঙ্গ দৈর্ঘের আলো তথা সবুজ বা নীল আলো প্রতিফলিত হয় এবং আমরা এটাকে সবুজ বা নীল দেখি; আবার উত্তেজিত থাকা অবস্থায় জালিকার মধ্যকার দূরত্ব বেশি থাকায় বেশি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘের আলো প্রতিফলিত করে, যেমন লাল, খয়েরী, কমলা বা হলুদ রঙ। কত মজার আর জটিল ব্যাপার তাইনা! কতভাবে যে এই প্রানী জগত বিবর্তিত হয়েছে, সত্যি অবাক হওয়ার মত!

এতো গেলো রঙ পাল্টানোর কথা, পরেরটার জন্য এটা বড়ই মামুলি। ভাবুন রোড এক্সিডেন্টে আপনার একটা হাত কাটা পড়েছে এবং কিছুদিন পর সেখান থেকে আবার হাত গজিয়েছে। বিশ্বাস হচ্ছে আপনার!? জানি হবেনা কারন মানুষ এটা পারেনা কিন্তু এই ছোট্ট সবুজ টিকটিকি সেটা খুব ভালো ভাবেই পারে। এদের অল্পবিস্তর রিজানেরেশন (Regeneration) ক্ষমতা আছে, কোন কারনে এদের লেজ কাটা পড়লে সেটা আবার পুনরায় গজায়। এটা শুনে হয়তো বলবেন, এতো আমাদের ঘরের টিকটিকি (House Gecko) গুলাও পারে। আপনার কথা সত্য কিন্তু এই কাটা লেজ গজানোর গুরুত্ব অনেক কারন টিকটিকিরা আমাদের অনেক কাছের আত্মীয় তাই জিনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং (Genetic Engineering) করে ব্যাপারটা আমাদের ক্ষেত্রেও কাজে লাগানো যেতে পারে। যাহোক আসুন লেজ গজানো নিয়ে কিছু কথা বলি। সম্প্রতি অ্যারিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটির (Arizona State University) কিছু বিজ্ঞানী সবুজ এই টিকটিকির লেজ পুনরায় গজানোর উপরে কাজ করেছেন এবং প্লসওয়ান (PLOS ONE) নামক এক বিজ্ঞান সাময়িকিতে এটা নিয়ে আলোকপাত করেছেন। তারা দেখেছে মোট ৩২৬ টি জিন এই কাজের জন্য দায়ী; এরমধ্যে অধিকাংশ জিন ভ্রুন গঠন, ক্ষত নিরাময় এবং হরমোন নিয়ন্ত্রনের সাথে জড়িত। সবথেকে মজার ব্যাপার এরা কাজ করে মূলত ডাব্লিউএনটি পাথওয়ের মাধ্যমে (Wnt Pathway) যা কিনা স্টেম সেলের ভবিষ্যৎ নির্ধারন করে। Wnt Pathway নির্ধারন করে একটা স্টেমসেল (Stem Cell) পরবর্তিতে কি ধরনের কোষে রুপান্তরিত হবে বা কোন অঙ্গ গঠন করবে। যেহেতু টিকটিকি এবং মানুষের জেনেটিক মেকাপ প্রায় একই, উক্ত জিনগুলো যদি কোনভাবে মানুষে এক্টিভ করা যায় তাহলে বিজ্ঞান ও মেডিক্যাল জগতে একটা তুলকালাম ঘটে যাবে এটা নিশ্চিত। আমি জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর ছাত্র তাই বাজী ধরেই বলতে পারি, এমনটা ঘটা মোটেই অসম্ভব নয়। তবে এখনো তালগাছের আড়াই হাত বাকি!

ছোটবেলার একটা জঘন্য নৃশংস অপরাধ এই বেলা স্বীকার না করলে পাপ বাড়বে। বিভিন্ন কুসংষ্কার ও মিথের কারনে ছোট বেলায় অনেক গিরগিটি ধরেছি, মেরেছি। আমার মনে পড়ে গ্রামের বন্ধুরা মিলে ছোট্ট মাটির বাড়ি বানিয়ে, তার ভেতর একটা গিরগিটি ঢুকিয়ে আগুনে জ্যান্ত পুড়িয়ে মেরেছিলাম; এটাও একটা মিথ বিশ্বাসের জঘন্য এবং নৃশংসতার উদাহরন। এখন ভাবলে অনেক খারাপ লাগে, এতটা নির্দয় হয়েছিলাম কিভাবে আমি! একটি জলজ্যান্ত প্রাণীকে পুরিয়ে মেরেছিলাম আমি, ভাবলেই নিজের প্রতি একটা ঘৃনা চলে আসে। এই পাপবোধ থেকে আমি মুক্তি চাই, ক্ষমা চাই জগতের সকল গিরগিটির কাছে। ভালো থেকো গিরগিটি সম্প্রদায়, অনেক ভুল হয়েছিল আমার, আর কখনো এমন করবোনা তোমাদের সাথে।

তথ্যসুত্রঃ


http://link.springer.com/article/10.1007%2FBF00309737

New Study on Color Change In Green Anoles

http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/25140675

Cellular Mechanism of Tail Regeneration in Anolis carolinensis

https://en.wikipedia.org/wiki/Carolina_anole

http://animaldiversity.org/accounts/Anolis_carolinensis/

http://nationalzoo.si.edu/animals/reptilesamphibians/facts/factsheets/anole.cfm

লেখাটি ব্যাক ইন স্টাডিতে প্রকাশিতঃ লেখাটির লিংক এখানে

Advertisements

5 thoughts on “সবুজ টিকটিকির রহস্যময় জীবন!

মন্তব্য করুন...

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s