জৈবপ্রযুক্তি বিষয়ক নোটস এন্ড ডকুমেন্টস

জীব বিজ্ঞানের ছাত্রদের প্রধান কাজ কি হওয়া উচিৎ? নিশ্চয় জীব বিজ্ঞানকে ভালোভাবে জানা এবং বোঝা। বিরাট ব্যাপার – এতো বড় দায়িত্ব পালন করা আমার কম্ম নয়। একেতো আমি অলস মানুষ তাতে আবার পড়ালেখা সম্পর্কিত ব্যাপার। ভাবতেই গা শিউরে ওঠে! তবে অলস হওয়ার বড় সুবিধে হলো হাতে অঢেল সময় থাকে। সময় জিনিসটা অদ্ভুত বটে, মহাবিশ্বের সবথেকে দামী বস্তু অথচ কোন মালিকানা নাই। ইচ্ছে করলেই যত খুশি অপচয় করা যায়। তাই স্রেফ শখের বসে অনার্স জীবনের প্রতিটি বর্ষেই কিছু না কিছু লিখে সময় অপচয় করেছি। তবে বেলা শেষে দেখলাম তেমন ভালো করে কিছুই করা হয়নি। উপরন্তু যে কারনে লেখা সেটাই হয়ে ওঠেনি; ফলাফল সহজেই অনুমেয়। আমি লেখার দলে তাই লিখেছি, যারা গেলার দলে তারা গিলেছে।  Continue reading

Advertisements

জাঙ্ক ডিএনএ কি আসলেই জাঙ্ক!?

আমরা জানি কোন জীবের সকল বৈশিষ্ট নিয়ন্ত্রিত হয় উক্ত জীবের প্রতিটি কোষে থাকা ডিএনএ বা জীন দ্বারা। এই ডিএনএ গুলো আবার বড্ড অকর্মা, নিজেরা কোন কাজ করতে পারেনা, বিভিন্ন কাজ সম্পাদন করার জন্য তারা বিভিন্ন প্রোটিন তৈরি করে। সাধারণত, একটা জীন একটা প্রোটিন তৈরি করে। এখন কথা হল, জীবকোষে থাকা সকল জীনই কি কোন না কোন প্রোটিন তৈরি করে!? মোটেই না, মানুষের মোট ডিএনএ’র মাত্র ২% প্রোটিন তৈরি করতে সক্ষম। তাহলে এই বিপুল পরিমান, অর্থাৎ বাকি ৯৮% ডিএনএ’র কাজ কি এবং কেনইবা আমাদের কোষে থেকে গেল – এটা একটা জটিল প্রশ্ন বটে! Continue reading

নতুন দিনের জীব বিজ্ঞান

বর্তমান সময়ে জীব বিজ্ঞানের সবথেকে আলোচিত বিষয় জৈবপ্রযুক্তি। জৈবপ্রযুক্তি এক অনন্য শিল্প যেটা গোটা মানব জাতিকে নিয়ে গেছে অনন্য উচ্চতায়। জৈবপ্রযুক্তি জীব বিজ্ঞানের অতি অত্যাধুনিক শাখা। প্রযুক্তির সাহায্যে মানব সমাজের উন্নতিকল্পে জীব জগতকে ব্যবহার করাই জৈপ্রযুক্তির প্রধান লক্ষ্য। জৈবপ্রযুক্তিকে যেভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয় সেটা এখন পরিবর্তনের সময় চলে এসেছে। জৈবপ্রযুক্তি এখন আর একতরফা মানুষের উন্নতিকল্পে ব্যবহার হচ্ছেনা বরং এটা জন্ম দিয়েছে, বায়োওয়ার, বায়ো-টেরোরিজম, বায়ো-ক্রাইম ইত্যাদি যেগুলো মানব সমাজের জন্য হুমকি। Continue reading

রুপান্তরকামীতা কি মানসিক অসুস্থতা!

কিছুদিন আগে আমেরিকাতে সমকামীতাকে (Homosexuality) স্বীকৃতি দেওয়ার কারনে বাংলাদেশেও তার আঁচ এসে পৌঁছেছিল। এলজিবিটির (LGBT) রেইনবো ফ্লাগে ফেইসবুক ভরে গেছিলো। তাই বলে আবার ভাববেন না, এদেশের সবাই সমকামী বা রুপান্তরকামী। আসলে রেইনবো ফ্লাগের মধ্যামে আমেরিকার এই স্বীকৃতি দেওয়াকে সমর্থন জানিয়েছে। অভিজিৎ রায় ও আরো কিছু প্রতিভাবান লেখকের বদৌলতে বাংলাতে এখন সমকামীতার উপর লেখা আগের মত অপ্রতুল নয়। সমকামিতা নিয়ে অভিজিৎ দার লেখা “সমকামীতা” বইটাতো বাংলা একটা ল্যন্ডমার্ক বই। Continue reading

খুব সহজে ডিএনএ পৃথক করুন

ডিএনএ (DNA) হলো এক ধরনের ডাবল হেলিক্যাল নিউক্লিক এসিড (Nucleic Acid) যা কোন জীবের সকল কোষের নিউক্লিয়াসে অবস্থান করে। এটি বংশগতির ধারক ও বাহক, অর্থাৎ এটি প্রত্যেক জীবের সকল বৈশিষ্ট্য নির্ধারন করে এবং বংশ পরম্পরায় পিতা-মাতা থেকে সন্তান-সন্ততিতে প্রবাহিত হয়। ডিএনএ প্রকৃতিতে সার্বজনিন কারন এটি সব ধরনের উদ্ভিদ, প্রানী, ব্যাক্টেরিয়া, এমনকি ভাইরাসেও উপস্থিত। মানে যেখানেই জীবন সেখানেই ডিএনএর অস্তিত্ব। এখন যেহেতু এটি একটি জীবের সকল বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রন করে তাই বিভিন্ন গবেষনা বা অন্যান্য অনেক প্রয়োজনে এটা পৃথকীকরনের (Isolation) দরকার পড়ে কিন্তু ডিএনএ পৃথক করা এতো সহজ নয় কারন এটা খালি চোখে দেখা যায়না; Continue reading

ক্লোনিং – জৈবপ্রযুক্তির এক অভিনব শিল্প

ক্লোন এবং ক্লোনিং কি?

আমরা যারা বায়োলজিতে পড়ি অথবা যারা হলিউড প্রেমী তারা হয়তো সবাই কম বেশি ক্লোনিং অথবা ক্লোন শব্দ গুলোর সাথে পরিচিত, তবুও সবার জানার জন্য বলছি, “ক্লোন” শব্দের অর্থ “অনুরূপ প্রতিলিপি” আর ক্লোনিং হলো ক্লোন তৈরির প্রক্রিয়া। একটু ভাল করে বললে, ক্লোনিং হলো অতি অত্যাধুনিক একটি প্রযুক্তি যার মাধ্যমে একটা প্রাণীর ক্রোমোজোম বা ডিএনএ (কোষের নিউক্লিয়াসে অবস্থিত এক বিশেষ ধরনের জৈব অ্যাসিড যা একটি জীবের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সবকিছুনিয়ন্ত্রন করে –জন্ম, মৃত্যু,চেহারা, আকার-আকৃতি,আচার ব্যবহার, বেড়ে উঠা ইত্যাদি)ব্যবহার করে হুবহু সেই প্রাণীর অনুরুপ আরেকটি প্রাণী করা হয়– যা জেনেটিক এবং ফিনোটাইপিক উভয় দিক থেকেই অনুরূপ হবে। সোজা কথায় ক্লোনিং হল কোন জিনগত ভাবে কোন কিছুর হুবহু প্রতিলিপি তৈরি করা। Continue reading