জৈবপ্রযুক্তি বিষয়ক নোটস এন্ড ডকুমেন্টস

জীব বিজ্ঞানের ছাত্রদের প্রধান কাজ কি হওয়া উচিৎ? নিশ্চয় জীব বিজ্ঞানকে ভালোভাবে জানা এবং বোঝা। বিরাট ব্যাপার – এতো বড় দায়িত্ব পালন করা আমার কম্ম নয়। একেতো আমি অলস মানুষ তাতে আবার পড়ালেখা সম্পর্কিত ব্যাপার। ভাবতেই গা শিউরে ওঠে! তবে অলস হওয়ার বড় সুবিধে হলো হাতে অঢেল সময় থাকে। সময় জিনিসটা অদ্ভুত বটে, মহাবিশ্বের সবথেকে দামী বস্তু অথচ কোন মালিকানা নাই। ইচ্ছে করলেই যত খুশি অপচয় করা যায়। তাই স্রেফ শখের বসে অনার্স জীবনের প্রতিটি বর্ষেই কিছু না কিছু লিখে সময় অপচয় করেছি। তবে বেলা শেষে দেখলাম তেমন ভালো করে কিছুই করা হয়নি। উপরন্তু যে কারনে লেখা সেটাই হয়ে ওঠেনি; ফলাফল সহজেই অনুমেয়। আমি লেখার দলে তাই লিখেছি, যারা গেলার দলে তারা গিলেছে।  Continue reading

A Report on Carew & Company

Nature blessed us with so many things; one of those is fermentation process, a very primitive but smart and fundamental process of biological system. Fermentation, to make sense, is a metabolic process in which an organism (usually microbes) converts a carbohydrate, such as starch or sugar, into an alcohol or an acid. Fermentation of ethyl alcohol (C2H5OH) from molasses is one of the oldest technologies of its kind, and it is now widely used to produce alcoholic beverages all over the world. Continue reading

বায়োইনফর্মেটিক্সে হাতে খড়ি

বায়োইনফরমেটিক্স হলো জৈবপ্রযুক্তি এবং তথ্যপ্রযুক্তির মিলনে উৎপন্ন এক নতুন শাখা যেখানে জীব বিজ্ঞানের বিভিন্ন তথ্য কম্পিউটারের সাহায্যে বিশ্লেষণ করা হয়। এটি মুলত জীব বিজ্ঞান, কম্পিউটার সায়েন্স, গণিত ও পরিসংখ্যানের একটি মিলিত ক্ষেত্র। সংক্ষেপে বলতে গেলে কম্পিউটারের চোখে দেখা জীব বিজ্ঞানই বায়োইনফর্মেটিক্স। এখানে বিভিন্ন জৈবপদার্থের মধ্যে মিল-অমিল, তাদের ত্রিমাত্রিক গঠন, পরস্পরের মধ্যে সম্পর্ক এবং বিবর্তনিক ইতিহাস ইত্যাদি নিয়ে গবেষণা করা হয়। বিজ্ঞানের নতুন শাখা হলেও এর মাধ্যমে এমন অনেক কিছুই এখন মুহুর্তের মধ্যে করা সম্ভব যাকিনা আগে করতে সময় লাগতো বহু বছর। এখানেই বোধহয় বোকা কম্পিউটারের রহস্যময় চালাকি। বায়োইনফর্মেটিক্স শিখছি তাই ভাবলাম একটু গ্যাঁজাই – কথায় আছেনা ভাঙা কলসি বাজে বেশি! 😛 Continue reading

জাঙ্ক ডিএনএ কি আসলেই জাঙ্ক!?

আমরা জানি কোন জীবের সকল বৈশিষ্ট নিয়ন্ত্রিত হয় উক্ত জীবের প্রতিটি কোষে থাকা ডিএনএ বা জীন দ্বারা। এই ডিএনএ গুলো আবার বড্ড অকর্মা, নিজেরা কোন কাজ করতে পারেনা, বিভিন্ন কাজ সম্পাদন করার জন্য তারা বিভিন্ন প্রোটিন তৈরি করে। সাধারণত, একটা জীন একটা প্রোটিন তৈরি করে। এখন কথা হল, জীবকোষে থাকা সকল জীনই কি কোন না কোন প্রোটিন তৈরি করে!? মোটেই না, মানুষের মোট ডিএনএ’র মাত্র ২% প্রোটিন তৈরি করতে সক্ষম। তাহলে এই বিপুল পরিমান, অর্থাৎ বাকি ৯৮% ডিএনএ’র কাজ কি এবং কেনইবা আমাদের কোষে থেকে গেল – এটা একটা জটিল প্রশ্ন বটে! Continue reading

নতুন দিনের জীব বিজ্ঞান

বর্তমান সময়ে জীব বিজ্ঞানের সবথেকে আলোচিত বিষয় জৈবপ্রযুক্তি। জৈবপ্রযুক্তি এক অনন্য শিল্প যেটা গোটা মানব জাতিকে নিয়ে গেছে অনন্য উচ্চতায়। জৈবপ্রযুক্তি জীব বিজ্ঞানের অতি অত্যাধুনিক শাখা। প্রযুক্তির সাহায্যে মানব সমাজের উন্নতিকল্পে জীব জগতকে ব্যবহার করাই জৈপ্রযুক্তির প্রধান লক্ষ্য। জৈবপ্রযুক্তিকে যেভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয় সেটা এখন পরিবর্তনের সময় চলে এসেছে। জৈবপ্রযুক্তি এখন আর একতরফা মানুষের উন্নতিকল্পে ব্যবহার হচ্ছেনা বরং এটা জন্ম দিয়েছে, বায়োওয়ার, বায়ো-টেরোরিজম, বায়ো-ক্রাইম ইত্যাদি যেগুলো মানব সমাজের জন্য হুমকি। Continue reading

জীন থেরাপি – চিকিৎসা বিজ্ঞানের শেষ অধ্যায়

কাওকে যদি জিজ্ঞাসা করা হয় যে তার কাছে সবথেকে মূল্যবান জিনিস কি, সে যদি নিতান্তই বোকা না হয়ে থাকে তাহলে বলবে যে তার “জীবন”। এটাই মনে হয় জীবনের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ সংজ্ঞা। সৃষ্টির শুরু থেকেই মানুষ ভেবেএসেছে যে কিভাবে সে এই প্রকৃতিতে বেশি দিন টিকে থাকবে, ভালভাবেটিকে থাকবে, বেশি দিন বেঁচে থাকবে। শুধু মানুষই নয়, আসলে এটাই যেন প্রতিটা জীবের চিরন্তন আশা-আকাঙ্খা। এর প্রধান কারণ সম্ভবত, আপাত দৃষ্টিতে প্রকৃতি কাওকেই অফুরন্ত সময় দেয়নি বেঁচে থাকার জন্য। তাতে আবার বিভিন্ন প্রকার রোগ-বালাই প্রকৃতির এই কাজটা আরও সহজ করে দিচ্ছে যেন দিন কেদিন। যত দিন যাচ্ছে, ততই বিভিন্ন প্রকার রোগের উদ্ভব হচ্ছে এবং সবথেকে কঠিন সত্য হচ্ছে রোগগুলো আরও কঠিনতর হচ্ছে। ভাবটা এমন যেন, রোগেরও ঘিলু (Brain) জিনিসটা আছে তাই তারা বুঝে শুনে নীরবে আমাদের সাথে পাল্লা দিয়ে চলছে। Continue reading

ক্লোনিং – জৈবপ্রযুক্তির এক অভিনব শিল্প

ক্লোন এবং ক্লোনিং কি?

আমরা যারা বায়োলজিতে পড়ি অথবা যারা হলিউড প্রেমী তারা হয়তো সবাই কম বেশি ক্লোনিং অথবা ক্লোন শব্দ গুলোর সাথে পরিচিত, তবুও সবার জানার জন্য বলছি, “ক্লোন” শব্দের অর্থ “অনুরূপ প্রতিলিপি” আর ক্লোনিং হলো ক্লোন তৈরির প্রক্রিয়া। একটু ভাল করে বললে, ক্লোনিং হলো অতি অত্যাধুনিক একটি প্রযুক্তি যার মাধ্যমে একটা প্রাণীর ক্রোমোজোম বা ডিএনএ (কোষের নিউক্লিয়াসে অবস্থিত এক বিশেষ ধরনের জৈব অ্যাসিড যা একটি জীবের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সবকিছুনিয়ন্ত্রন করে –জন্ম, মৃত্যু,চেহারা, আকার-আকৃতি,আচার ব্যবহার, বেড়ে উঠা ইত্যাদি)ব্যবহার করে হুবহু সেই প্রাণীর অনুরুপ আরেকটি প্রাণী করা হয়– যা জেনেটিক এবং ফিনোটাইপিক উভয় দিক থেকেই অনুরূপ হবে। সোজা কথায় ক্লোনিং হল কোন জিনগত ভাবে কোন কিছুর হুবহু প্রতিলিপি তৈরি করা। Continue reading