জৈবপ্রযুক্তি বিষয়ক নোটস এন্ড ডকুমেন্টস

জীব বিজ্ঞানের ছাত্রদের প্রধান কাজ কি হওয়া উচিৎ? নিশ্চয় জীব বিজ্ঞানকে ভালোভাবে জানা এবং বোঝা। বিরাট ব্যাপার – এতো বড় দায়িত্ব পালন করা আমার কম্ম নয়। একেতো আমি অলস মানুষ তাতে আবার পড়ালেখা সম্পর্কিত ব্যাপার। ভাবতেই গা শিউরে ওঠে! তবে অলস হওয়ার বড় সুবিধে হলো হাতে অঢেল সময় থাকে। সময় জিনিসটা অদ্ভুত বটে, মহাবিশ্বের সবথেকে দামী বস্তু অথচ কোন মালিকানা নাই। ইচ্ছে করলেই যত খুশি অপচয় করা যায়। তাই স্রেফ শখের বসে অনার্স জীবনের প্রতিটি বর্ষেই কিছু না কিছু লিখে সময় অপচয় করেছি। তবে বেলা শেষে দেখলাম তেমন ভালো করে কিছুই করা হয়নি। উপরন্তু যে কারনে লেখা সেটাই হয়ে ওঠেনি; ফলাফল সহজেই অনুমেয়। আমি লেখার দলে তাই লিখেছি, যারা গেলার দলে তারা গিলেছে।  Continue reading

Slaughtering of Biological Diversity

One of the most fascinating events ever happened in the universe is the origin of life. The emerging of life could be sudden but its continuity was the most difficult task. The journey of life might not possible if the nature and environment didn’t support it. But the real story was little bit different because nature has some laws that can’t be compromised while life is a part of nature and of course guided by those laws of nature. Therefore, life had to play hide and seek with nature or to modify them to be existed in nature. Continue reading

দ্বিধান্বিত বাঙালি জাতি ও যুদ্ধাপরাধী বিচার

জাতি হিসাবে বাঙালী আজীবন দ্বিধান্বিত। নিজের পরিচয় থেকে শুরু করে বিশ্বাস পর্যন্ত সবকিছুতেই তাদের দ্বিধা। দেশ ও জাতির জন্ম-ঊষালগ্ন তাদের চোখে ঘোলাটে। পশ্চিম পাকিস্তানীদের শোষণ-নির্যাতনের বিরুদ্ধে অস্ত্র তুলে নেয় এদেশের সাধারণ জনগণ। রক্তের দামে কিনে নেয় বাংলাদেশ নামের এই ছোট্ট ভূখণ্ড। মাত্র ৪৪ বছর আগের কথা; অথচ কত সহজে ভুলে গেছে তারা। পশ্চিম পাকিস্তান থেকে আমাদের আলাদা হওয়ার উদ্দেশ্যই ছিল শোষণ মুক্ত সেক্যুলার দেশ গড়া কিন্তু এখন সেই লক্ষ্য বদলে হয়েছে ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র গড়া। এই বদল নিশ্চয় এমনি আসেনি, এসেছিল এদেশীয় কিছু পাকি জারজদের হাত ধরে। বাঙালী জাতি কখনো নির্বোধ ছিলনা কিন্তু তারা ছিল দ্বিধাবিভক্ত আর আবেগপ্রবণ। Continue reading

মৌলিক পদার্থ থেকে তেজষ্ক্রিয়তা

পৃথিবীতে এখনো পর্যন্ত আবিষ্কৃত মোট মৌলের (Elements) সংখ্যা ১১৮। তন্মধ্যে প্রকৃতিতে উৎপন্ন হয় মাত্র ৯২টা মৌল, অর্থাৎ হাইড্রোজেন (H) থেকে ইউরেনিয়াম (U) পর্যন্ত; বাকিগুলো মানুষের তৈরি। কেন প্রকৃতি শুধু ৯২টা মৌল উৎপন্ন করতে পারে, এর বেশি নয়? এর উত্তর পেতে হলে আমাদের পরামাণুর গঠনের (Atomic Structure) দিকে নজর দিতে হবে। আমরা জানি প্রোটন (p) এবং নিউট্রন (n) নিয়ে পরামাণুর নিউক্লিয়াস গঠিত। মৌল ভেদে পরমাণুর নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রনের সংখ্যা ভিন্ন হয় – যত ভারী মৌল তত বেশি প্রোটন, নিউট্রন। যেমন, হাইড্রোজেনে (H) থাকে ১টা প্রোটন ও ১টি নিউট্রন, হিলিয়ামে (He) ২টি করে আবার কার্বনে (C) ৬টি করে। বুঝার সুবিধার্থে আমরা যদি নিউট্রনের কথা ভুলে যাই; তাহলে নিউক্লিয়াসে থাকবে শুধু প্রোটন। Continue reading

বাবার জন্য অভিমান!

এইপ’স মেমোরি অফ ১১১১১৫


গত কয়েকদিন বাবা প্রতিদিন রাতে ফোন করেন। শুরুতে অবশ্য মা-ই কথা বলে, পরে উনি কথা বলেন। এটা ওটা জিজ্ঞেস করেন। আমি সবকিছুতে হ্যা-হুম-আচ্ছা করে যাই; এর থেকে বেশি কিইবা বলবো! খুব বলতে ইচ্ছে করে, “বাবা কেমন আছো; বাবা আজ পরিক্ষা ভালো হইছে; বাবা ক্যাম্পাসে আজ এই হয়েছে; বাবা কিছু টাকা লাগতো”, কিন্তু বলতে গিয়ে আটকে যাই, কারন তিনি খুব স্পষ্ট করেই বলে দিয়েছেন তাকে যেন আর বাবা বলে না ডাকি। বাবার সাথে কথা বলার সময় মনটা খুব ভার হয়ে যায়, বাবা বারবার জিজ্ঞেস করেন কি হইছে তোর, শরীর ঠিক আছে তো! অকপটে বলে যাই ঠিক আছি আমি কিন্তু আমি ঠিক নেই, আমি মোটেই ঠিক নেই। কথা শেষে লাইন কেটে যায় তবু কিছুক্ষন ধরে রাখি ফোনটা! Continue reading

A Report on Carew & Company

Nature blessed us with so many things; one of those is fermentation process, a very primitive but smart and fundamental process of biological system. Fermentation, to make sense, is a metabolic process in which an organism (usually microbes) converts a carbohydrate, such as starch or sugar, into an alcohol or an acid. Fermentation of ethyl alcohol (C2H5OH) from molasses is one of the oldest technologies of its kind, and it is now widely used to produce alcoholic beverages all over the world. Continue reading

নক্ষত্রের বর্জ্যেই প্রাণের পত্তন

হাজার বছর ধরে মানুষ রাতের ঝলমলে আকাশ দেখে বিস্মিত হয়েছে আর মুগ্ধ নয়নে ভেবেছে বহুদুরের ঝুলন্ত আলোক বিন্দু নিয়ে। আকাশের বুকে জ্বলজ্বলে এই ঝুলন্ত বিন্দুই হলো তারা বা নক্ষত্র। তখনকার দিনে নক্ষত্র মানুষের মনে ঐশ্বরিক চিন্তার যোগান দিত, নক্ষত্রদের মাধ্যমে নাবিকরা সমুদ্রে দিক ঠিক করতো। যদিও নক্ষত্র কি, কিভাবে এদের উৎপত্তি – এসব সম্পর্কে তাদের কোন ধারনা ছিলনা। বিজ্ঞানের প্রগতির ফলে আজ নক্ষত্রদের সম্পর্কে জানার তেমন কিছু বাকি নাই। মজার বিষয় হলো, নক্ষত্ররা নিষ্প্রাণ হলেও যেন অনেকটা জীবিত; এদের জন্ম হয় এবং জীবন শেষে মৃত্যুবরন করে। Continue reading