জৈবপ্রযুক্তি বিষয়ক নোটস এন্ড ডকুমেন্টস

জীব বিজ্ঞানের ছাত্রদের প্রধান কাজ কি হওয়া উচিৎ? নিশ্চয় জীব বিজ্ঞানকে ভালোভাবে জানা এবং বোঝা। বিরাট ব্যাপার – এতো বড় দায়িত্ব পালন করা আমার কম্ম নয়। একেতো আমি অলস মানুষ তাতে আবার পড়ালেখা সম্পর্কিত ব্যাপার। ভাবতেই গা শিউরে ওঠে! তবে অলস হওয়ার বড় সুবিধে হলো হাতে অঢেল সময় থাকে। সময় জিনিসটা অদ্ভুত বটে, মহাবিশ্বের সবথেকে দামী বস্তু অথচ কোন মালিকানা নাই। ইচ্ছে করলেই যত খুশি অপচয় করা যায়। তাই স্রেফ শখের বসে অনার্স জীবনের প্রতিটি বর্ষেই কিছু না কিছু লিখে সময় অপচয় করেছি। তবে বেলা শেষে দেখলাম তেমন ভালো করে কিছুই করা হয়নি। উপরন্তু যে কারনে লেখা সেটাই হয়ে ওঠেনি; ফলাফল সহজেই অনুমেয়। আমি লেখার দলে তাই লিখেছি, যারা গেলার দলে তারা গিলেছে।  Continue reading

Advertisements

নতুন দিনের জীব বিজ্ঞান

বর্তমান সময়ে জীব বিজ্ঞানের সবথেকে আলোচিত বিষয় জৈবপ্রযুক্তি। জৈবপ্রযুক্তি এক অনন্য শিল্প যেটা গোটা মানব জাতিকে নিয়ে গেছে অনন্য উচ্চতায়। জৈবপ্রযুক্তি জীব বিজ্ঞানের অতি অত্যাধুনিক শাখা। প্রযুক্তির সাহায্যে মানব সমাজের উন্নতিকল্পে জীব জগতকে ব্যবহার করাই জৈপ্রযুক্তির প্রধান লক্ষ্য। জৈবপ্রযুক্তিকে যেভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয় সেটা এখন পরিবর্তনের সময় চলে এসেছে। জৈবপ্রযুক্তি এখন আর একতরফা মানুষের উন্নতিকল্পে ব্যবহার হচ্ছেনা বরং এটা জন্ম দিয়েছে, বায়োওয়ার, বায়ো-টেরোরিজম, বায়ো-ক্রাইম ইত্যাদি যেগুলো মানব সমাজের জন্য হুমকি। Continue reading

জীন থেরাপি – চিকিৎসা বিজ্ঞানের শেষ অধ্যায়

কাওকে যদি জিজ্ঞাসা করা হয় যে তার কাছে সবথেকে মূল্যবান জিনিস কি, সে যদি নিতান্তই বোকা না হয়ে থাকে তাহলে বলবে যে তার “জীবন”। এটাই মনে হয় জীবনের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ সংজ্ঞা। সৃষ্টির শুরু থেকেই মানুষ ভেবেএসেছে যে কিভাবে সে এই প্রকৃতিতে বেশি দিন টিকে থাকবে, ভালভাবেটিকে থাকবে, বেশি দিন বেঁচে থাকবে। শুধু মানুষই নয়, আসলে এটাই যেন প্রতিটা জীবের চিরন্তন আশা-আকাঙ্খা। এর প্রধান কারণ সম্ভবত, আপাত দৃষ্টিতে প্রকৃতি কাওকেই অফুরন্ত সময় দেয়নি বেঁচে থাকার জন্য। তাতে আবার বিভিন্ন প্রকার রোগ-বালাই প্রকৃতির এই কাজটা আরও সহজ করে দিচ্ছে যেন দিন কেদিন। যত দিন যাচ্ছে, ততই বিভিন্ন প্রকার রোগের উদ্ভব হচ্ছে এবং সবথেকে কঠিন সত্য হচ্ছে রোগগুলো আরও কঠিনতর হচ্ছে। ভাবটা এমন যেন, রোগেরও ঘিলু (Brain) জিনিসটা আছে তাই তারা বুঝে শুনে নীরবে আমাদের সাথে পাল্লা দিয়ে চলছে। Continue reading